অনলাইন আয় পুর্নাঙ্গ গাইড লাইন [ সিরিজ পর্ব- ৩ ]

0
60

আসসালামুআলাইকুম । ফ্রী টিউন্স ২৪ ডট কম এর পক্ষ থেকে আমি মোঃ ইমরান হোসেন অনলাইন আয় গাইডলাইন বাংলা টিউটোরিয়াল এর আজকের এই ২য় পর্বে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি । অনলাইন আয় গাইডলাইন বাংলা টিউটোরিয়ালে গত পর্বে আমরা জেনেছি যে, আসলে চাকরির বিষয়টা কি ? এবং তার সম্পর্কে একটি খুটিনাটি ধারণা নেয়ার চেষ্টা করেছি । তো আজকে আমরা জানবো গত পর্বে এই যে, আমরা বললাম যে, ইন্টারনেটে চাকরি কোথায় করবেন ? বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে করবেন । বিভিন্ন যারা বায়ার আছে তাদের আন্ডারে কাজ করবেন । তো এই যে বিভিন্ন বায়ারের বা বিভিন্ন ক্লাইন্ট বা মালিক যারা আছে তাদের আন্ডারে কাজ করার জন্য যে আপনাকে মার্কেটপ্লেসে যেতে হবে বা আপনি চাইলে মার্কেট ছাড়াও আপনার যদি কোন পরিচিত লোক থাকে তার আন্ডারে ও জব করতে পারেন । তো সেটা ভিন্ন কথা ।

নতুন অবস্থায় আপনি যখন কোন মার্কেটপ্লেসে কাজ করবেন । এই যে আমরা বার বার মার্কেটপ্লেসের কথা বলতেছি আপওয়ার্ক, ফ্রিল্যান্সার, ইল্যান্স । এই মার্কেটপ্লেসগুলোর আসলে মূল সিস্টেম টা কি ? আপনি যদি এ মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজ করতে চান, তাহলে আপনাকে অবশ্যই এ মার্কেটপ্লেসে এ চাকরি করতে গেলে আপনাকে জানতে হবে এদের মূল সিস্টেম টা কি ? এদেরকে কেন তৈরি করা হয়েছে ? এবং আপনি যে কাজটা করবেন ক্লায়েন্টের কাছ থেকে শুরু করে টাকা পাওয়া পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটি কিভাবে সম্পন্ন হবে ? এই বিষয়টা আজকের পর্বে জানার চেষ্টা করবো । আপনারা যারা গত পর্ব গুলো দেখেননি তারা নিচের লিংকে ক্লিক করে দেখে নিন ।

>>>অনলাইন আয় পুর্নাঙ্গ গাইড লাইন [ সিরিজ পর্ব- ১ ]<<<

>>>অনলাইন আয় পুর্নাঙ্গ গাইড লাইন [ সিরিজ পর্ব- ২ ]<<<

ফ্রিলান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলো হচ্ছে একটি ওয়েবসাইট । এটা কিন্তু আসলে বাংলাদেশে যে বাজার থাকে আমরা বিভিন্ন বাজারে যাই ঐরকম বাজার না । এটা হচ্ছে একটা অনলাইন বাজার । এটা হচ্ছে জাস্ট একটা ওয়েবসাইট যেমন www.upwork.com । এই হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস বা ওয়েবসাইট । তো এই যে ওয়েবসাইট, এই ওয়েবসাইটের মধ্যে দুই ধরনের লোক থাকে ।

  • একটা হচ্ছে আপনি বা আমি নিজে বা যিনি কাজ করবেন বা ওয়ার্কার বা ফ্রিলান্সার ।
  • আরেক ধরনের লোক থাকে যারা বায়ার বা ক্লাইন্ট বা কাজদাতা বা মালিক যিনি কাজ দিবেন আপনাকে ।

যেমন, আমরা যখন বাজার করতে যাই তখন ঐখানে কয় ধরনের লোক থাকে ? একজন হচ্ছে যারা বিক্রেতা এবং একজন হচ্ছে ক্রেতা । ঠিক আছে ? তো ঠিক একই রকম ভাবে অনলাইনে মার্কেটপ্লেসেও দুই ধরনের লোক থাকে । একটা হচ্ছে আপনি যারা কাজ করবেন, আর একটা হচ্ছে মালিকপক্ষ বা বায়ার বলা হয় তাদেরকে । যারা কাজ দিবে । এরপরে যখন আপনি ঐখানে মানে এই মার্কেটপ্লেসটিতে বা ঐ ওয়েব সাইটটিতে আপনি যখন একজন ওয়ার্কার হিসেবে যোগ দিবেন বা একটা অ্যাকাউন্ট খুলবেন ।

একাউন্ট খোলার পর কিছু কাজ থাকে টুকি-টাকি সেই কাজগুলো যখন সেরে আপনি যখন চাকরির জন্য ফুল রেডি হবেন । যে আপনি কি কাজ জানেন, এই বিষয় গুলো আপনার একাউন্ট ফিলাপ করার পর যখন আপনি যখন একটি কমপ্লিট ওয়ার্কার একাউন্ট ফ্রিল্যান্স অ্যাকাউন্ট খুলবেন । তখন আপনি দেখতে পাবেন যে এখানে বিভিন্ন ধরনের কাজ আছে, বিভিন্ন সেক্টরে । তো এক্ষেত্রে প্রথমেই যখন কোন বায়ারের কোন কাজের জন্য লোক প্রয়োজন হয় তখন তিনি এই ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটে লোক আবশ্যক লিখে জব পোস্ট করেন । আপনি তো এখন জয়েন করলেন । ধরলাম আপনি এই upwork.com এসেছেন বা এই সাইটটিতে আপনি জয়েন করেছেন । ঠিক আছে ? জয়েন করার পর আপনি একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে জয়েন করেছে ।

অনলাইন আয়
অনলাইন আয়

আপনি যখন একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে এই সাইটটিতে জয়েন করলেন,  তখন একই সাথে কিন্তু অনেক বায়ার যারা কাজ দিবে তাদের কিন্তু এই একই মার্কেটপ্লেসে কিন্তু একাউন্ট আছে । তো এই অ্যাকাউন্ট থাকার পরে আপনার যখন কোন বায়ারের কোন কাজের প্রয়োজন হবে, বা কোন লোকের প্রয়োজন হবে । যেমন, হঠাৎ করে আমি গত পর্বে যেটা বলেছিলাম একজন বায়ারের একটা লোক দরকার হলো । তার একটা স্কুল আছে । স্কুলের জন্য ওয়েবসাইট করাবে । তখন সে কি করল এই ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে একটা কাজের জন্য লিখে দিলো যে আমার একজন লোক প্রয়োজন । একটা স্কুলের ওয়েবসাইট করানোর জন্য । তখন আপনি যেহেতু ওয়েব ডিজাইনার হিসেবে জয়েন করলেন বা আপনি একজন এসইও ওয়ার্কার হিসেবে এখানে জয়েন করলেন । তো এসইও ওয়ার্কার হিসেবে যখন আপনি এই মার্কেটপ্লেসে জয়েন করবেন ।  

ধরনে একজন ক্লায়েন্ট এর একটা ওয়েবসাইটের এসইও করাতে হবে । তখন সে লিখলো যে আমার ওয়েবসাইটের এসইও করার জন্য একজন লোক প্রয়োজন । তো আপনি যখন আপনার এসইও ক্যাটাগরিতে যাবেন, তখন দেখবেন যে এই লেখাটা বা ফেসবুক পোস্টের মতো একটা পোস্ট এখানে আছে । ঠিক আছে ? যে বায়ারের একজন লোক প্রয়োজন এসইও কাজের জন্য তখন আপনি এই লেখাটা সেখানে দেখতে পাবেন । দেখে যেহেতু আপনি এসইও এর কাজ করবেন । তখন আপনি কি করবেন ? সেই বায়ার বা সেই ক্লায়েন্টের কাছে আবেদন করবেন । যে হে বায়ার বা ক্লাইন্ট আপনি আমাকে কাজটি দেন । আমি কাজটি করতে পারবো । ঠিক আছে ? তো এইরকম আপনার মত যখন যেহেতু সেখানে হাজার হাজার ওয়ার্কার আছে । তো সেখান থেকে দেখা গেছে যে ৫০ জন বা ৪০ জন একসাথে ঐ কাজটা করার জন্য ক্লাইন্ট এর কাছে আবেদন করল । এই আবেদন করা কে বলা হয় বিট করা । যখন ৫০ জন একটা কাজের জন্য বিড করল । তখন ক্লাইন্ট ঐ পঞ্চাশ জনের মধ্যে থেকে বিভিন্ন লোকের কাছে কথা বলে, তাদের সাথে চ্যাটিং করে, আপনার সাথে যোগাযোগ করে, মেসেজের মাধ্যমে কথা বলে, সেই এই ৫০ জনের মধ্যে থেকে ধরলাম আপনাকে সে সিলেট করলো কাজটি করে দেয়ার জন্য । ঠিক আছে ?

তো আপনাকে যখন ক্লাইন্ট কাজটি করে দেয়ার জন্য সিলেট করবে তখন আপনার এবং ক্লায়েন্টের একটা নতুন প্রজেক্ট চালু হবে অটোমেটিকেলি । এই প্রজেক্ট এ ক্লাইন্ট আপনার সাথে যাবতীয় খোলামেলা ভাবে আলোচনা করবে এবং আপনাকে বলবে কাজটি যাতে আপনি শেষ করে দেন হয়তো আপনাকে একটা সময় দিয়ে দিবে । যে এত দিনের মধ্যে কাজ শেষ করবেন এবং আপনি যখন কাজটা শেষ করবেন সফল ভাবে শেষ করে যখন ক্লাইন্টের কাছে জমা দেবেন । তখন যদি ক্লাইন্ট দেখে যে হ্যাঁ সব কাজ ঠিক-ঠাক আছে, ok fine । তারপর ঐ যে ফ্রীলান্সিং মার্কেটপ্লেস upwork.com সেই ওয়েবসাইটটিতেই ক্লাইন্ট আপনার টাকা আপনাকে য়ে দিবে । টাকা দিয়ে দিলে আপনি ওয়েবসাইটটিতে আপনার ব্যালেন্স দেখতে পারবেন । যে কত টাকা আছে, কত ডলার আছে ? তো এভাবে যখন আপনার কিছু ডলার আপনার একাউন্টে জমা হবে ।

তখন আপনি সেই ডলারটা সরাসরি আপনার ব্যাংক একাউন্টে ট্রান্সফার করে দিতে পারবেন । এখানে অনেকেই বলে থাকে যে, টাকা তোলার জন্য মাস্টার কার্ড লাগে কিন্তু এই ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলোর থেকে টাকা তোলার জন্য কোন মাস্টারকার্ড লাগে না । ডিরেক্টলি আপনার ব্যাংক একাউন্টে সরাসরি আপনার ব্যাংক একাউন্ট ইনফরমেশন দিবেন । আপনার ব্যাংক একাউন্টে টাকা চলে আসবে । তবে কিছু কিছু ফ্রিল্যান্সিং সাইট আছে যেখানে টাকা তোলার জন্য মাস্টার কার্ড এর প্রয়োজন হয় । তো সেক্ষেত্রে আপনি অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইট আছে Payoneer.com, neteller.com এর মাধ্যমে আপনি মাস্টার কার্ড পেতে পারেন । সেই মাস্টারকার্ডের মাধ্যমে আপনি বাংলাদেশের যে কোন ব্যাংকের মাস্টার কার্ড সাপোর্ট করে এমন ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলে নিতে পারেন । এই হচ্ছে টোটাল সিস্টেম ।

এখানে আরেকটি কথা যে ঐ যে বললাম যে কাজটা শেষ হলে আপনাকে ক্লায়েন্ট পেমেন্ট করে দেবে টাকা দিয়ে দিবে । টাকা যখন দিয়ে দিবে তার পাশাপাশি আপনি কাজটা সফলভাবে করতে পেরেছেন কিনা বা কতটুকু সফল ভাবে করেছেন সেটা সংক্রান্ত আপনাকে দুয়েক লাইনের একটা মন্তব্য আপনার প্রোফাইলে দিয়ে দিবে । এই মন্তব্যটা আপনার অনেক কাজের । কারণ আপনি এই মন্তব্যটাকে কাজে লাগিয়ে অনলাইনে বা ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটে ভালো কাজ পাবেন । তার মানে হচ্ছে এই মন্তব্যটা আপনি যে কাজটা পারেন তার একটা সার্টিফিকেট । এটাকে কাজে লাগিয়ে আপনি অন্যান্য ক্লায়েন্টের কাজ করতে পারবেন । তো এক্ষেত্রে যেহেতু আপনি তো আগে ক্লাইন্টকে চিনতেন না তাই না ? যেহেতু এই ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস এর মাধ্যমে আপনি ক্লায়েন্টের কাজটা পেলেন এবং কাজটা করলেন । এজন্য আপনার যা ইনকাম হবে তা থেকে ১০% চার্জ ফ্রীলান্সিং মার্কেটপ্লেস টা কেটে রেখে দিবে । অটোমেটিকেলি চার্জটা কেটে রেখে দিবে । তো এটা হচ্ছে তাদের ফি হিসেবে কেটে রাখবে । তো মুলত এভাবে আপনি এই ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটে কাজ করতে পারেন ।

সিস্টেমটা আমি আরেকবার আপনাকে একটু সংক্ষেপে বলে দিচ্ছি । আপনি যখন কোন ফ্রীলান্স মার্কেটপ্লেসের একজন ওয়ার্কার হিসেবে জয়েন করবেন । তখন দেখতে পারবেন এখানে বিভিন্ন ক্লায়েন্ট বিভিন্ন ধরনের লোক লাগবে বা লোক দরকার কাজের জন্য । এগুলো লিখে বায়ার জব পোস্ট করবে ফ্রিলান্সার ওয়েবসাইট গুলোতে । তো ঐ জব পোস্ট গুলো পড়ে আপনি যে কাজটা করতে পারবেন সেই কাজ গুলোতে আপনি আবেদন করবেন । ক্লাইন্ট এর কাছ থেকে পাওয়ার জন্য । তো এইভাবে যখন আপনি আবেদন করবেন তখন ক্লাইন্টের একটা কাজের জন্য এভাবে ৪০ থেকে ৫০ জন্যও আবেদন করে থাকে কখনো কখনো । এই ৪০-৫০ জনের মধ্যে থেকে তাদের সাথে কথা বলে এক জনকে সিলেট করবে ক্লাইন্ট বা বায়ার । যাকে সিলেট করবে তাকে সে কাজটি দিয়ে দিবে এবং কাজটা দেয়ার পর ঐ লোক যখন কাজটা Full Complete করে ক্লায়েন্টের কাছে জমা দিবে তখন ক্লাইন্ট ঐ লোককে মানে আপনাকে পেমেন্ট করে দিবে । ঠিক আছে ? যদি আপনি কাজটা সফল ভাবে করতে পারেন । তো পেমেন্টটা করে দেয়ার পর আপনি সেই টাকাটা আপনার ব্যাংক একাউন্টে সরাসরি তুলতে পারবেন । আর সেখান থেকে ১০% চার্জ ফ্রীলান্সিং মার্কেটপ্লেস অটোমেটিকেলি কেটে নেবে ।

এখানে মূলত দুইভাবে কাজ করা যায় । তো আমি যে বললাম এতোক্ষন আপনি ক্লায়েন্টের কাজ করে জমা দিবেন । এভাবে আপনার দুই ভাবে কাজ করতে পারবেন ।

  • একটা হচ্ছে ঘন্টা হিসেবে কাজ,
  • আরেকটা হচ্ছে চুক্তি হিসেবে কাজ ।

যেমন ধরুন ক্লাইন্ট আপনাকে এমন একটা কাজ দিলো যে আপনি যত ঘন্টা কাজ করবেন তত ঘন্টার পেমেন্ট দেবে । ঠিক আছে ? যেমন, যখন আমরা বাড়ি করি বা যখন বাড়ি বানানো হয় তখন আমরা অনেক সময় রাজমিস্ত্রিকে দুই ভাবে রাখাতে পারি । একটা হচ্ছে চুক্তি হিসেবে, একটা হচ্ছে রোজ হিসেবে । যেটা আমরা সাধারণ ভাষা বলে থাকি রোজ । যে আপনি যদি একদিন কাজ করেন আপনাকে 200-300 টাকা দেয়া হবে মানে প্রতিদিন । আপনি যে কয়দিন কাজ করবেন প্রতিদিন হিসেবে আপনাকে 300 টাকা করে দেয়া হবে । আরকটা হচ্ছে চুক্তি হিসেবে । আপনাকে আমি এত টাকা দিয়ে দিবো । আপনি এত দিনের মধ্যে বাড়ি টা কমপ্লিট করে দিবেন ।

এরকম অনলাইনে দুই ভাবে আপনি কাজ করতে পারবেন । একটা হচ্ছে ঘন্টা হিসেবে আপনি যত ঘন্টা কাজ করবেন,  ততক্ষণ বিল আসবে ক্লাইন্ট আপনাকে তত ঘন্টার বিল পরিশোধ করে দেবে । আর একটা হচ্ছে চুক্তি হিসাবে যে, আপনি টোটাল কাজটা শেষ করে দেবেন ক্লাইন্ট আপনাকে একবারে এত টাকা দিয়ে দিবে । তো ঘন্টা হিসাবে কাজ করার জন্য এই ফ্রিলান্স মার্কেটপ্লেস গুলোর নিজস্ব সফটওয়্যার আছে । সফটওয়্যার দিয়ে ক্লাইন্ট জানতে পারবে আপনি কত ঘন্টা কাজ করলেন । আর চুক্তি হিসেবে তো কোনো রেকর্ড এর প্রয়োজন নেই । আপনি কাজটা শেষ করে ক্লাইন্টকে জমা দেবেন ব্যস । ক্লাইন্ট আপনাকে পেমেন্ট করে দেবেন ।

এই ছিল আসলে মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে আমাদের দু-একটা কথা । আগামী পর্বে আমরা জানবো যে, আসলে এই মার্কেটে কি কি ধরনের কাজ পাওয়া যায় ? কারণ আমরা সিস্টেমটা তো বুঝলাম যে কিভাবে কাজটা হয় ? টোটাল প্রসেসটা কিভাবে হয়ে থাকে ? তো এখানে তাহলে কি কি ধরনের কাজ পাওয়া যায় সেটা আমাদের জানা উচিত তাই না ? যে এই মার্কেটপ্লেসে সাধারণত কোন কোন ধরনের চাকরি বা কোন কোন ধরনের কাজের উপর জব এখানে আসে । তো সেই পর্বের আমন্ত্রণ জানিয়ে আজকের মত এখানেই বিদায় নিচ্ছি । ভাল থাকবেন সবাই, সুস্থ থাকবেন। “আল্লাহ হাফেজ”

ধন্যবাদ সবাইকে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here