অনলাইন আয় পুর্নাঙ্গ গাইড লাইন [ সিরিজ পর্ব- ২ ]

0
65

আসসালামুআলাইকুম । Freetunes24.com এর পক্ষ থেকে আমি মোঃ ইমরান হোসেন আপনাদের সবাইকে জানাই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন । অনলাইন আয় গাইডলাইন বাংলা টিউটোরিয়াল এর দ্বিতীয় পর্বে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি । অনলাইন আয় গাইডলাইন টিউটোরিয়ালে আমরা কি কি দেখবো ? যে এই সিরিজটিতে অনলাইন আয় মূল্য রিলেটেড যা যা দেখবো ! যেমনঃ-

  • অনলাইন আয় কি ?
  • অনলাইনে আয় কিভাবে করতে হয় ?
  • সঠিক উপায় কোনটি এবং আপনার জন্য কোনটা বেটার হবে ?
  • কোন পদ্ধতিতে আপনার জন্য ভালো হবে সেটা আপনি কিভাবে ঠিক করবেন..?

>>>>>> অনলাইন আয় পুর্নাঙ্গ গাইড লাইন [ সিরিজ পর্ব- ১ ] <<<<<<

তার মানে হচ্ছে যে, আপনি কোন সেকশনে কাজ করবেন সেটা আপনি কিভাবে ঠিক করবেন এবং কিভাবে কোন পদ্ধতিতে গেলে আপনি সফল হতে পারবেন । এই বিষয়গুলো আমরা এই ধারাবাহিক পর্বটিতে আলাপ করার চেষ্টা করবো আপনাদের সাথে । তো প্রথমে আমরা জেনে নিবো অনলাইনে আয় বা ইন্টারনেট থেকে ইনকাম, যেটা আমরা শুনি সেটা আসলে কি সেটার একটা বিস্তারিত আলোচনা করবো।

প্রশ্নঃ অনলাইন আয় কাকে বলে ..?

 উত্তরঃ যদিও আসলে আমরা সবাই বুঝি যে, ইন্টারনেট থেকে আয় হচ্ছে মূলত ইন্টারনেট থেকে টাকা ইনকাম করা । তো ইন্টারনেট থেকে আয় করাকেই মূলত অনলাইনে আয় বলে ।

যে আপনি ইন্টারনেট থেকে আয় করলেন । অনলাইন জিনিসটা কি ? অনলাইন জিনিসটা হচ্ছে মূলত ইন্টারনেট । এই ইন্টারনেট এর মাধ্যমে আপনি যদি আয় করে থাকেন, সেটাই অনলাইন আয় । এখন সেটা আপনি যেভাবে করেন না কেন, যে পদ্ধতিতেই করেন না কেন, সেটা হচ্ছে অনলাইনে আয় বা ইন্টারনেট থেকে ইনকাম । তো ইন্টারনেট থেকে যে ইনকাম করা যায় আমরা জানি যে, ইন্টারনেট থেকে আয় করা যায় । Really অনেকে আয় করতেছে । So এইযে যে ইন্টারনেট থেকে আয় করা যায়, সেটা কে আমরা দুই ভাগে ভাগ করতে পারি ।

  • একটা হচ্ছে চাকরি,
  • আর একটা হচ্ছে ব্যবসা

আমাদের বাস্তব জীবনে যেমন, আমরা যখন আয় করতে চাই বা টাকা ইনকাম করতে চাই , তো আমরা কিভাবে টাকা আয় করতে পারি .? আমরা দুই ভাবে আয় করতে পারি । একটা হচ্ছে চাকরির মাধ্যমে, আর একটা হচ্ছে ব্যবসার মাধ্যমে । আমাদের মধ্যে অনেকের চাকরী ভালো লাগেনা তো, তারা ব্যবসা করবে । অনেকে আছে ব্যবসা ভালো লাগে না, তারা চাকরি করবে । So সে চাকরি করে আয় করবে । তো এভাবে ইন্টারনেটে আমরা যত ভাবে আয় করতে পারি সেগুলো কে আমরা দুই ভাগে ভাগ করতে পারি । ইন্টারনেটে চাকরি করা যায়, আবার ইন্টারনেটে বিজনেস করা যায় ।

আমরা যারা এতদিন দেখেছি যে ইন্টারনেট থেকে অনেকে বিভিন্ন পদ্ধতিতে আয় করে । SO আমরা অনেকেই কিন্তু কনফিউজ হয়ে যায় যে, ওর কাছ থেকে শুনছি এরকম ভাবে আয় করে । আবার ও আয় করে আরেক ভাবে । এটা কিভাবে সম্ভব .? এভাবে বাস্তব জীবনে যেমন বিভিন্ন টাইপের চাকরি আছে বিভিন্ন ধরনের বিজনেস আছে । ইন্টারনেটে ও ঠিক বিভিন্ন ধরনের চাকরি আছে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা আছে । তো এগুলোর সম্পর্কে আমরা ভবিষ্যতে জানার চেষ্টা করবো । তো এখন আমরা ফাস্ট টাইম ইন্টারনেটের চাকুরীর বিষয়টা আলাপ করি । যে ইন্টারনেটে আমরা কিভাবে চাকুরী করতে পারি । বিজনেস ব্যাপারাট একটু পরে আলোচনা করি । কারণ ইন্টারনেটের বিজনেস খাতটা হচ্ছে অনেক বিশাল একটা খাত । SO এখন আমার চাকুরীর বিষয়টা আলাপ করি । তারপর আপনাদের সাথে চাকরি বিষয়টা শেষ করে । বিজনেস এর ব্যপারট আমরা আলোচনা করবো । তো প্রথমে ইন্টারনেট চাকরি..!

ইন্টারনেটে চাকরি

ইন্টারনেটে চাকরি মানে আমরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হয়ে ইন্টারনেটও কাজ করে আয় করতে পারি । বাস্তব জীবনে আমরা যেমন চাকরির ইন্টারভিউ দিয়ে চাকুরী পাই । ঠিক একই রকম ইন্টারনেটেও আমরা ইন্টারভিউ দিয়ে চাকরি পেতে পারি । ঠিক আছে..? এখন আপনাদের মনে কনফিউশনের সৃষ্টি হতে পারে যে, ইন্টারনেটেও আবার ইন্টারভিউ এর ব্যবস্থা আছে ! ইন্টারভিউ দিয়ে আমাকে নিয়োগ করবে ..? তো তাহলে আমরা কিভাবে ইন্টারনেটে চাকুরীটা পাবো তাই না ..? কিন্তু এখানে শুরুতে আমি বলে নিচ্ছি একটা সুবিধার কথা .! বাস্তব জীবনে যেমন চাকরি করতে গেলে আপনার সার্টিফিকেট এর প্রয়োজন হয়, অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয় । কিন্তু ইন্টারনেট চাকরি করতে গেলে একচুয়ালি সার্টিফিকেট ততটা ব্যপার না । ইন্টারনেটের চাকুরীর জন্য আপনার প্রচুর অভিজ্ঞতার দরকার হবে । আপনি যে কাজটা পারবেন সেটা আপনাকে প্রমাণ করতে হবে । এমনকি আমাদের জন্য বেশ ভালো একটা বিষয় হচ্ছে যে বর্তমান সময়ে আমরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে দেখি যে তারা সার্টিফিকেট থেকে অভিজ্ঞতাকে বেশি গুরুত্ব দেয় । কারণ গুগলের এমন অনেক ডিপার্টমেন্ট আছে যেখানে ওভার ৭০% এমপ্লয়ী যারা কাজ করে গুগল ডেভলপার হিসেবে গুগলের কোন ওয়ার্কার হিসাবে তাদের কোন প্রাতিষ্ঠানিক সার্টিফিকেট নাই । কিন্তু তারা দক্ষ । এই জন্য তাদেরকে চাকরি দেয়া হয়েছে । SO এভাবে আপনি ইন্টারনেট চাকরি করতে গেলে আপনাকে দক্ষ হতে হবে । তো কিভাবে দক্ষ হবেন, কোন কাজ শিখবেন..? সেগুলো পরবর্তীতে আমরা জানি ।আমরা আগে জেনে নেই যে, ইন্টারনেট চাকরির বিষয়টা কি..? কেমন..? কিভাবে হয় ব্যাপারটা..?

বাস্তব জীবনের মত অনলাইনেও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান রয়েছে । যেখান থেকে আপনি চাকরি করতে পারেন । এই সকল প্রতিষ্ঠান নিজের দক্ষতার পরিচয় দিয়ে আপনি চুক্তি ভিত্তিক কাজ করতে পারেন । কিন্তু এই চুক্তি ভিত্তিক যে আপনি কাজ করবেন বিভিন্ন ক্লায়েন্টের সাথে তাই না ..? আপনি যখন অনলাইনে কাজ করবেন তখন তো অবশ্যই কারো না কারো কাজ করতে হবে ! এমন কিন্তু না যে আপনার কম্পিউটার আপনাকে কাজ দেবে । এমন কিন্তু মোটেও না । আপনাকে কোন ক্লায়েন্টের কাজ করতে হবে । কোন ক্লায়েন্ট বা কোন লোক খুঁজে বের করতে হবে যে আপনাকে চাকরি দিবে । কিন্তু এখন প্রধান সমস্যা হচ্ছে,

  • কোথায় পাবেন এই প্রতিষ্ঠান ?
  • আপনি যে কার কোম্পানিতে চাকরী করবেন..?
  • কোন মালিকের আন্ডারে আপনি কাজ করবেন..?
  • এই মালিক কে আপনি কিভাবে খুজবেন ..?

চাকরি করতে গেলে এটা কিন্তু ইন্টারনেটের প্রধান সমস্যা । কারণ আপনি এখন ঢাকার একটা ছোট্ট ঘরে । ধরুন যেমন, আমি এই মুহূর্তে ঢাকার একটা ঘরে বসে আছি । এখন আমি কিভাবে ইন্টারনেটে কাজ খুজবো তাই না ..? ইন্টারনেট তো আপনার বিশ্বের প্রতিটা কোনার সাথে সংযুক্ত । এখন আমি কিভাবে এমন একজনকে খুঁজে বের করব । যে আমাকে চাকরি দিবে ..? আমি একটা কাজ জানি, এখন এই কাজ জানার জন্য আমাকে চাকরি দিবে এমন লোক আমাকে খুঁজে বের করতে হবে ।

যেহেতু এটা একটা অনলাইন প্লাটফ্রোম এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ওয়ার্কার এখানে আছে । তো এই ক্ষেত্রে কর্মী মানে আমি এবং চাকরিদাতা মানে আমার মালিক বা আমার বস্ । আমি এবং আমার বসের মধ্যে যে খুঁজে পাওয়ার ব্যাপারটা যে সংযুক্ত এর ব্যাপারটা সেটা কিন্তু অনেক কষ্ট স্বাধ্য । কারন আমি আমার বস কে চিনি না কে আমাকে চাকরি দেবে । আবার আমার বস কিন্তু আমাকে চেনে না যে আমি তার কাজটা করে দিতে পারবো । তো এই দুইজনের মধ্যে একটি যোগসুত্র তৈরি করার জন্য অনলাইনে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে গড়ে উঠেছে । যেখানে একই জায়গায় ওয়ার্কার মানে আমি যারা কাজ করবো । এবং চাকরিদাতা বা বায়ার । এদের কে বলা হয় বায়ার অথবা ক্লাইন্ট । মানে যারা চাকরি দিবে । তো এই আমি এবং যিনি আমার বসের মধ্যে একটি যোগসুত্র তৈরি করার জন্য অনলাইনে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস তৈরি করা হয়েছে । যেখানে বিভিন্ন রকমের মালিক এবং বিভিন্ন রকমের কর্মচারী তাদের দেখা হয় বা তারা একে অপরের সাথে পরিচিত হয়ে তাদের জব এবং তাদের পেমেন্ট শেয়ার করতে পারে । যেমন এখানে বিভিন্ন চাকরিদাত বা বায়ার যারা আছে ।

যেমন, এই সকল যে মার্কেটপ্লেসের কথা আমি বললাম এগুলো অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইট । যেমন, আমরা সবাই কিন্তু শুনেছি odesk.com যেটা এখন upwork.com হয়ে গেছে । এরপরে আছে আপনার freelancer.com, elance.com,  guru.com ইত্যাদি বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস আছে । যে মার্কেটপ্লেস গুলোতে আপনার একই সাথে আমাদের মত যারা ওয়ার্কার আছে তারা থাকে, তার পাশাপাশি যারা কাজ দিবে বা যারা বস তারাও থাকে ।

ঐ মার্কেটপ্লেস গুলোতে যখন কোন মালিকের কোন কাজের জন্য কোন লোকের প্রয়োজন পড়ে, যেমন ধরেন ওই মালিকের কি করতে হবে যে একটা দোকান আছে বা একটা স্কুল আছে ঐ মালিকের । তো ঐ স্কুলের জন্য একটা ওয়েবসাইট প্রয়োজন । এখন এই ওয়েবসাইটের জন্য লোক পাচ্ছে না । যে কাকে দিয়ে ওয়েবসাইট করাবো কারণ সে তো নিজে ওয়েবসাইট বানাতে পারে না । তখন সে কি করল ..? এই মার্কেটপ্লেসে আসলো এই ওয়েবসাইটটিতে আসলো যেমন odesk.com এ আসলো । আসার পরে সে কি করলো ..? এখানে লিখলো যে আমার একজন ওয়েবসাইট ডিজাইনার প্রয়োজন । যে আমার স্কুলের জন্য ওয়েবসাইট তৈরি করে দিতে পারবে । তো এখন ওই upwork.com যে ওয়েব সাইটটা যে ফ্রিল্যান্স মার্কেটটা ঐ মার্কেটে কিন্তু আমরা যারা ওয়ার্কার, আমরা যারা ওয়েবসাইট ডিজাইন করি, আমরা যারা এসইও এর কাজ করি, যে কাজই করে না কেন তারা কিন্তু দেখলো যে হ্যাঁ এই একজন লোক তার একটা ওয়েবসাইটের জন্য এখানে একটা বিজ্ঞাপন দিয়েছে । এই ক্ষেত্রে আমরা যারা ওয়েব ডিজাইনার আছে তারা কি করবে..? সেই ক্লাইন্ট এর কাছে আবেদন করবে যে আমি আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করে দিতে চাই । এত টাকার বিনিময় ।

এই আবেদন করাকে বলা হয় বিট করা । তো যখন তারা আবেদন করবে ধরেন যে একটা ওয়েবসাইটের জন্য ৫০ জন আবেদন করেছে । তো তখন সে বায়ার বা ক্লাইন্ট যার স্কুলের সাইট প্রয়োজন সে কি করবে .?সে এই ৫০ জনের এটা ইন্টারভিউ নিবে । অনলাইনের মাধ্যমে ইন্টারভিউ নিবে । মেসেজ এর মাধ্যমে আপনার সাথে কথা বলে, চ্যাটিং করে, সরাসরি ঐ মার্কেটিপ্লেসের একটা মেসেজিং এর ব্যবস্থা থাকে ওই মেসেজের মাধ্যমে আপনার সাথে সরাসরি কন্টাক করে সে ঐ ৫০ জনের মধ্যে থেকে যেকোনো একজনকে তার জন্য হায়ার করবে । বা কাজটা তাকে দিয়ে দিবে । মানে তাকে জবটা দিয়ে দিলো । এভাবে যখন আপনি কাজটা শেষ করবেন । ধরুন আপনি কাজটা পেয়েছেন ৫০ জনের মধ্য থেকে । যখন আপনি ওয়েবসাইট তৈরি করে ক্লাইন্ট এর কাছে জমা দিবেন বা যখন ওয়েবসাইট ক্লাইন্ট এর কাছে ফাইল গুলো জমা দেবেন । তখন ক্লাইন্ট কি করবে.? যদি দেখে যে সব কাজ ঠিক-ঠাক মত হয়েছে । তখন আপনাকে ওই যে, যে ফ্রীল্যান্স মার্কেটপ্লেস upwork.com, freelancer.com, যেখানে আপনি কাজটা পেয়েছেন । সেই মার্কেটপ্লেসেই আপনাকে টাকা পেমেন্ট করে দিবে । এবং তখন আপনি সেই মার্কেটপ্লেস থেকে সরাসরি আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আপনার সেই ডলারটা ট্রান্সফার করে ফেলতে পারবেন ।

এইযে, যে আমরা মার্কেটপ্লেস মার্কেটপ্লেস বার বার বলতেছি । এই মার্কেটপ্লেস হচ্ছে মূলত একটা একটা ওয়েব সাইট । এই ওয়েব সাইট গুলোতে আপনার বিভিন্ন ওয়ার্কাররা কাজের জন্য আবেদন করে । আবার যারা মালিক আছে, তারা বিভিন্ন ধরনের কাজ লিখে পোস্ট করে বা জব পোস্ট করে । আর এই মার্কেটপ্লেস গুলোকে বলা হয় ফ্রীল্যান্স মার্কেটপ্লেস । এবং এভাবে উপার্জনকে বলা হয় ফ্রিল্যান্সিং বা মুক্ত পেশা ।

আপনারা অনেকেই টিভিতে, পত্র-পত্রিকায় দেখে থাকেন যে ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করুন ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করুন । তো এটাই হচ্ছে সেই ফ্রিল্যান্সিং । বা ফ্রিল্যান্সিং বলা হয় এজন্য যে এটা হচ্ছে একটা মুক্ত পেশা । এখানে আপনার কোন বাধ্যবাধকতা নেই । যেমন, আপনার যদি মনে চায় যে আপনি আজকে অনেক দিন হাতে কাজ নাই একটা কাজের জন্য আবেদন করবেন ? আপনি চাইলে আবেদন করতে পারবেন । এখানে কেউ আপনাকে বাধ্য করবে না যে কাজ করতেই হবে । কেউ আপনাকে মানা করবে না যে, কাজ কোরো না । তো আপনার যদি মনে চায় যে আপনি একটা কাজ কমপ্লিট করেছেন এখন এক সপ্তাহ রেস্ট নেবেন আর কোন কাজ করবেন না । সো আপনি রেস্ট নিলেন । আপনি আর কোন কাজে আবেদন করলেন না । কোন ক্লায়েন্টের সাথে মানে আপনি আর কোন নতুন কাজের জন্য খোঁজ করলেন না । এভাবে আর কি ! এটাকেই বলে ফ্রিল্যান্সিং । আবার অনেকে বলে মুক্ত পেশা । আবার অনেকে এটাকে আউটসোর্সিং ও বলে থাকে । কিন্তু যদিও আউটসোর্সিং হচ্ছে যে আপনার মেইন যে কাজ যেমন, আপনি যদি অফিসের কাজ করেন তার বাইরে থেকে যে কোন ধরনের উপার্জন করছেন বা বাইরের যে কোন একটা সোর্স থেকে আয় করাকে আউটসোর্সিং বলে । তো এই ফ্রিল্যাসিং বা মুক্ত পেশার জন্য বেশ কিছু ওয়েবসাইট আছে । যাকে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস বলে ।

  • upwork.com
  • freelancer.com
  • elance.com

এই তিনটা হচ্ছে সবচাইতে জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম । তবে এর মধ্যে আমরা বলে রাখি যে আপওয়ার্ক এর আগের নাম ছিল ওডেস্ক । এটা কয়েক মাস আগেই বা বেশ কিছুদিন আগে এটাকে  চেঞ্জ করে উনারা আপওয়ার্ক করছে । তো আপনারা হয় তো ওডেস্কের নাম শুনে থাকবেন কিন্তু ওডেস্কের নিউ ওয়েবসাইট হচ্ছে upwork.com । সো আজকে পর্ব এইটুকুই যে আমারা জানলাম, যে চাকরীর ব্যপারাট কি ? কিভাবে চাকরি হয় ? চাকরী যে আপনারা করবেন এই যে মার্কেটপ্লেসগুলোর নাম আমার বললাম আপওয়ার্ক, ফ্রিল্যান্সার ইত্যাদি মার্কেটপ্লেসগুলো কি কি কাজ পাওয়া যায় ? কি ধরনের কাজ পাওয়া যায় ? এবং এই মার্কেটপ্লেসগুলোতে আপনি যদি চাকরি করতে চান । সেই চাকরি করার জন্য আপনাকে কি কি করতে হবে ? কি কাজ শিখতে হবে ? আপনি কোন কাজ শিখবেন ? এবং কিভাবে আপনার উপার্জিত অর্থ আপনি হাতে পাবেন ? এই বিষয়গুলো নিয়ে আরেকটু বিস্তারিত ভাবে আপনাদের সাথে আগামি পর্বে আলোচনা করবো তো সেই পর্বটির আমন্ত্রণ জানিয়ে আজকের মত এখানেই বিদায় নিচ্ছি । ভাল থাকবেন সবাই, সুস্থ থাকবেন,  “আল্লাহ হাফেজ”

ধন্যবাদ সবাইকে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here